- শারীরিক, মানসিক সুস্থতা ও পরিচ্ছন্নতা একজন শিক্ষার্থীর মনকে প্রফুল্ল রাখে। আবার শিক্ষার্থীর প্রকত মানসিক বিকাশ শুধু পাঠ গ্রহণের মাধ্যমে ঘটে না। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করে কলেজে আসা যেমন বাধ্যতামূলক তেমনি ছেলেদের লম্বা চুল, আপত্তিকর হেয়ার স্টাইল, ফ্রেঞ্জকাট দাড়ি কাম্য নয়।
- প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে কলেজ কর্র্তপক্ষ একটি করে পরিচয়পত্র সরবরাহ করে থাকেন, যা কলেজ চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রাখতে হবে। পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে থানায় জিডি করে এবং ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নতুন পরিচয়পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে।
- প্রতিটি শাখায় নূন্যতম দুজন কো-অর্ডিনেটর দায়িত্বে থাকেন। তিনি সংশ্লিষ্ট শাখার ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুবিধা-অসুবিধা ইত্যাদি দেখাশুনা করেন। শিক্ষার্থীরা এবং সম্মানিত অভিভাকগণ সকাল ৯:০০ থেকে দুপুর ২:০০ টা পর্যন্ত কো-অর্ডিনেটরদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে যাবেন।
- শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক ক্লাসে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। পরপর তিনদিন বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকলে শিক্ষার্থীর অভিভাবককে কলেজে এসে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে। এর ব্যতিক্রম হলে পরবর্তীতে ক্লাসে উপস্থিতি গণনা করা হয় না। ন্যূনতম ৭৫% উপস্থিতি না থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে কোনোভাবেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয় না।
- প্রতিটি শাখায় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সংখ্যানুপাতে ক্লাস মনিটর নির্ধারণ করা হয়। মনিটরকে মান্য করা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অবশ্য কর্তব্য। মনিটর প্রয়োজনে কো-অর্ডিনেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
- শিক্ষার্থীদের পাঠ গ্রহণের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে। “আজকের শিক্ষার্থী আগামী দিনের ভবিষ্যত” স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীরা নিজেদের আরও সৃজনশীল ও আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলবে।
- শিক্ষার্থীরা কলেজের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোনো কাজে জড়িত হতে পারবে না। কলেজের সম্পত্তির কোনো প্রকার ক্ষতি করতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের অধূমপায়ী হতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কলেজ চলাকালে এমপি থ্রি, এমপি ফোর ও মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষেধ। কারও কাছে এগুলো পাওয়া গেলে কর্তপক্ষ বাজেয়াপ্ত করবে। গুরুতর নিয়ম শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনে টিসি প্রদান করা হবে বা তার ভর্তি বাতিল করা হবে।
বহিষ্কার/ড্রপ আউট ও ভর্তি বাতিল প্রসঙ্গ
নিম্নে বর্ণিত যেকোনো একটি কারণে ছাত্র-ছাত্রীকে বহিষ্কার কিংবা ভর্তি বাতিল করা হয়:
- কলেজ কর্তপক্ষের অনুমতি ব্যতীত কলেজের যেকোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করা।
- অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় নকল করা।
- শিক্ষকদের নির্দেশ অমান্য বা আগ্রাহ্য করা।
- শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে অসদাচারণ করা।
- শ্রেণিকক্ষ, কলেজের দেয়াল, বেঞ্চ, টেবিল, নোটিশবোর্ড, ক্লাসরুমের বোর্ড ও ওয়াশরুমের দেয়ালে কোনোকিছু লেখা বা আঁকা।
- কলেজের অভ্যন্তরে সহপাঠী কিংবা পার্শ্ববর্তী কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে যেকোনো প্রকার ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হওয়া।